জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন
টেকনোলজি ফাউন্ডেশন
সরকার নিবন্ধিত নং- S-13382

প্রতিষ্ঠাতার বাণী

জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত একটি কল্যাণমূখী, অরাজনৈতিক, অলাভজনক, দাতব্য বেসরকারী সংস্থা। উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গড়তে এবং কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৯ সাল থেকে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলছে জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশনজার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের, রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস এর সোসাইটি রেজিষ্ট্রেশন আইন XXI অব ১৮৬০ এর আওতায় যার রেজিষ্ট্রেশন নং S-13382 সংস্থাটি ২০১৯ সালে স্থাপিত হয়ে ২০২০ সালের ২৯ জুলাই সরকারী অনুমোদন লাভ করে জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন এর  উপর সরকার কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা বলে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা গুলোতে বৃহত্তর সাংবাদিকতা, তথ্য প্রযুক্তি, হস্তশিল্প সহ কারিগরী প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে আঞ্চলিক কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। কারিগরী ভিত্তিক গবেষণা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের সকল পর্যায়ের দারিদ্র বিমোচন করা সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করে জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন



প্রশিক্ষণ সার্টিফিকেট

আমাদের কর্মসূচি

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

সাংবাদিকতা একটি মুক্ত পেশা।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার বেশ উজ্জল। এই বিষয়ের মাধ্যমে সৃজনশীল কাজে নিজেকে যুক্ত করা। অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ এই বিষয়টি নিজেকে সৃষ্টিশীল হিসাবে গড়ে তোলে। প্রতিষ্ঠিত-স্বীকৃত ও সামনের সারির সংবাদমাধ্যমগুলোতে বরাবরই এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের কদর তুলনামূলকভাবে বেশি। আমাদের দেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংখ্যা। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সহজেই এসব মিডিয়ায় তাদের প্লাটফর্ম তৈরি করার সুযোগ পাচ্ছে।

Read More..

এ বিভাগের বর্তমান ও সাবেক অনেক শিক্ষার্থীই দেশের প্রথম সারির দৈনিক পত্রিকায়, বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে, রেডিও ও টেলিভিশনে ফুলটাইম কিংবা পার্টটাইম কাজ করছে। অনেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ফিচার-প্রবন্ধ-প্রতিবেদন লিখছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। অডিও-ভিডিও-টেক্সটে চমৎকার কনটেন্ট তৈরি করে নিজেকে পরিচিত করার সুবর্ণ সুযোগ পাচ্ছে। যারা লিখতে ভালোবাসে, মিডিয়ায় ও জনসংযোগে ক্যারিয়ার গড়তে চায় তাদের জন্য গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা হতে পারে অত্যন্ত প্রিয় একটি বিষয়। অন্য বিষয় পড়েও মিডিয়ায় ক্যারিয়ার গড়া গেলেও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীরা তাদের থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকে। মিডিয়ায় ক্যারিয়ার গড়া ছাড়াও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যাংক ও ইন্সুরেন্সে গণসংযোগ কর্মকর্তা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাবলিক রিলেশনে অফিসার, বিদেশে স্কলারশিপ ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ, দেশি-বিদেশি এনজিও, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, ব্যাংকের চাকরি সহ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সুযোগ  রয়েছে। পাশাপাশি ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি, মেকআপ এ কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়টি হতে পারে দেশের বেকারত্ব পূরণের প্লাটফর্ম।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

তথ্য প্রযুক্তির যুগ বর্তমান বিশ্ব। তথ্য প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের গড়ার প্রধান হাতিয়ার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। কৃষি, চিকিৎসা, পরিবেশ ও আবহাওয়া, গবেষণা, ব্যাংকিং, শিক্ষা, ব্যবসা সকল ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি। তথ্য প্রযুক্তি বর্তমানে ক্যারিয়ারের একটি বড় ক্ষেত্রও বটে। আইটি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে তাল মিলিয়ে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জনশক্তির চাহিদা আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একটি বিশাল ক্ষেত্র।

Read More..

এর আওতা এবং ব্যপকতাও অনেক। তথ্য প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ বলা চলে কম্পিউটার। কম্পিউটারে যে কত শত কাজ আছে তা কল্পনাতীত। কম্পিউটারের শুরুর প্রথম কাজটি টাইপিং বা কম্পোজিং। এই সাধারণ কাজটি দিয়েই আজ মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। কম্টিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, কল সেন্টার প্রভৃতি সবই এর অন্তর্ভুক্ত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনায় এগুলোর আলোচনা আসবে। কালের বিবর্তনে মানব জীবন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তথ্য ও যোগাযোগ এর অবদান রয়েছে মানব জীবনে।

স্বাস্থ্য ও গবেষণা

স্বাস্থ্য হলো শরীরিক ও মানসিক সুস্থতা। জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে মানুষকে তার চারপাশের সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভশীল হয়ে থাকতে হয়। এই উভয় প্রকার পরিবেশ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। স্বাস্থ্য সচেতনতা হলো কিছু অভ্যাসের আচরণ, যার দ্বারা আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি। ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’- এটি একটি বহু পরিচিত বাক্য। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সকল নাগরিকের স্বাস্থ্য সচেতনতা দরকার। স্বাস্থ্য সচেতনতার নানা দিক গুলো নিয়ে এভাবে ভাগ করা যায়।

Read More..

দৈনন্দিন কাজ কর্মে স্বাস্থ্য সচেতনতা।
খাদ্যাভাসে স্বাস্থ্য সচেতনতা।
অসুখ নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা।
আচার আচরনে স্বাস্থ্য সচেতনতা।

দৈনন্দিন কাজ কর্মে স্বাস্থ্য সচেতনতায় থাকবে পরিস্রুত পানীয় জল পান করা, শৌচের পরে ও খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। স্বাস্থ্যবিধিসম্মত শৌচাগার ব্যবহার করা। ইত্যাদি।খাদ্যাভাসে স্বাস্থ্য সচেতনতায় থাকবে ক্ষতিকর খাদ্য ও পানীয় ব্যবহার না করা। মাদক সেবন থেকে দুরে থাকা। ভেজাল খাদ্য নিয়ে সচেতন থাকা।অসুখ নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতায় উল্লেখ করা যায় অসুখের কারণ জানা। অসুখের সময় পথ্যের ব্যবহার ভুল ধারনা আছে, সেখান থেকে মুক্ত থাকা। অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। যুক্তিযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রচলন দরকার।আচার আচরনে স্বাস্থ্য সচেতনতায় বলা য়ায় পরিবেশকে নির্মল ও পরিচ্ছন্ন রাখা। যত্র তত্র আবর্জনা না ফেলা। সামাজিক জীবনযাপন করা। পরিবেশকে নির্মল রাখার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ১) বাতাসের মান বজায় রাখা। বাতাসে কার্বনের পরিমান কমানো। ২) ভূপৃষ্ঠ ও ভূগর্ভস্থ জলকে দূষণমুক্ত রাখা। ৩) বিষাক্ত বস্তু ও বিপজ্জনক বর্জ্য সংস্পর্শ এড়ানো।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি

একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্বের ইতিহাসে বাংগালি ব্যতিক্রমী জাতি। ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে বাংগালি ঠিক করে নেয় তার সাংস্কৃতিক আত্ম-পরিচয়।  বাংলাদেশের রয়েছে শত শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বাংলাদেশের সংস্কৃতি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। বাংলাদেশ পৃথিবীর সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ধারণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দক্ষিণ

Read More..

এশিয়ার দেশ বাংলাদেশের গণমানুষের সাহিত্য ও সংগীত, নৃত্য, গণমাধ্যম, রন্ধন, পোষাক, সামাজিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া, লোক ও কারুশিল্প, মেলা ইত্যাদির মিথস্ক্রিয়াকে বোঝানো হয়ে থাকে। বাংলা সংস্কৃতিকে আগলে লক্ষ লক্ষ লোক জীবিকা নির্বাহ করছে। বাংলা সংস্কৃতি যোগানদিচ্ছে লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান এবং বাচিয়ে রেখেছে কত শত পরিবার।

সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, সুবিধা বঞ্চিত শিশু-কিশোর-নারী, প্রতিবন্ধী, নিরক্ষর এবং অসহায় মানুষের মুখে  হাসি ফোটাতে কাজ করবে জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন। কখনো নিজ নিজ অবস্থান থেকে, কখনোবা সম্মিলিত ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সকলের মুখে হাসি ফোটাবে। ঈদ, শীত সহ বিশেষ দিনগুলোতে  জীবনের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে থাকা মানুষ গুলোকে নিয়ে কাজ করবে জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন।

Read More..

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর গবেষণা উদ্ধৃত করে কিছু বছর আগে স্থানীয় গণমাধ্যম বলেছে, শুধু ঢাকা শহরে প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার পথশিশু রয়েছে৷সে গবেষণায় আরো দেখা যায় যে, এই শিশুদের প্রায় ৪৪ শতাংশ মাদকাসক্ত এবং ১৯ ভাগ গ্রেফতারও হয়েছে৷ ৪১ শতাংশের ঘুমাবার জায়গা নেই, ৮০ ভাগ কাজ করে খায় এবং ৮৪ শতাংশের শীতবস্ত্র নেই৷ এছাড়া এদের অধিকাংশই স্বাস্থ্যসেবা পায় না৷ নানান শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়৷ শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত।সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানুষের জন্য কাজ করার তীব্র আকাঙ্খা, পরিশ্রম করার শপথ নিয়ে পথ চলতে শুরু করেছে  জার্নালিজম এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ফাউন্ডেশন।

Scroll to Top